An alien from another planet wonders why a world-citizen is brainwashed with lots of unnecessary rules and boundaries instead of being allowed to live freely.  This book inspires world-citizens to move across boundaries to reach other citizens and enrich their lives by living together, helping each other with increased productivity and prosperity. This vision is justified by analysing the biography of a common citizen and neighbouring citizens.

 

Visit the website, www.Know-No-Boundaries.com

Please look for this book in Google Books, Amazon, Trafford Publishing and Barnes and Noble.

 

From the stories of common people like you and me, the author Lateral derives a vision of a world – not restricted by boundaries.

 

Know No Boundaries

Where do I belong? Does anything belong to me?

 

“With an event of mass disobedience we start,

No shot is fired, no one is physically hurt.

On a sunny day, at every airport of the world,

People queue up for check-in with no visa in hand.

One and all, in all the classes – economy, first or business,

No one had a visa; world citizenship each like to harness.”

Some of these stories are sexually sensitive and guidance of mature adults might be needed in comprehending them. The characters are all very common men and women; none of them might have done any exemplary work to make this world a bit different. They all lived by the rules and regulations of the world and they responded to the opportunities and threats of their land.

They all wanted to be loved by someone; they were all looking for someone they could love. In some world, they cannot live if not loved by at least a few; life has no meaning without love.

In some other world, love is not a necessity, life has lots to offer even when you cannot win the scarce love. People are made to be loved and things are made to be used; but more often things are loved and people are used.

Find out more about these different worlds and get to know the characters through the pages of  ‘Know No Boundaries’

Visit the website, www.Know-No-Boundaries.com

 

 

PITCH

John started his journey in his first world, where rules and rigours restricted natural development. Next he migrated to his second world where some of the sacred beliefs were not much relevant; he challenged the rules and rigours imposed on him, some rules imposed by his own beliefs. From here he envisaged his third world, the world which spans over the physical world and beyond, the world where all countries merge into One World that does not restrict any of her citizens by rules that restrict their natural development.

Six friendly couples, including Johns, assembled in a camp to experiment spouse swapping for a week.

A group of friendly couples started swapping spouses and developed new marital rules for them. In the first camp, men won the toss to select their women for the week.

After a week of spouse swapping, they were back to their legal spouses and found themselves happier than before.

Few years later the same six couples assembled in another spouse swapping camp. This time women won the toss and they chose their men, not for a week but for a year.

They realised children pay a heavy price for the actions of their father or mother. Children, for no fault of their own, have often been deprived of the love of a father, a mother or both.

If the parents had to be together for the sake of their children, one or both of them are often exploited by the spouse and the society.

Child Care Levy on taxpayers could be used for rewarding the carers of the children – real or foster parents.

The same six couples camped again to explore John’s vision of One World with no country boundaries. The events led to non-violent and intelligent disobedience of visa restrictions for moving across boundaries.

 

Visit the website, www.Know-No-Boundaries.com

 

 

About the Book/Overview

It is neither a thesis, nor it is a novel,

Not it is a fantasy, not even a fairy tale.

 

With an event of mass disobedience we start,

No shot is fired, no one is physically hurt.

On a sunny day, at every airport of the world,

People queue up for check-in with no visa in hand.

One and all, in all the classes – economy, first or business,

No one had a visa; world citizenship each like to harness.

 

No international flight takes off

From Wellington, where the day starts;

From other airports of New Zealand too,

          No other plane departs.

 

Nowhere in the world, from any airport,

Took off any International flight.

Following day was no different,

          And the following night.

All airlines give up,

          No end of the tunnel, no ushering light.

 

The main suspect behind these events was John.

 

John’s identity is however very clear;

To all passengers he is very dear.

 

For questioning his role in mass disobedience,

Arrested was John, and served punishing sentence.

He was punished to undergo forensic probes,

For extracting his memoir and his hopes,

To get the events that led him to his roles,

To his visions to cross boundary ropes.

 

Visit the website, www.Know-No-Boundaries.com

Please look for this book in Google Books, Amazon, Trafford Publishing and Barnes and Noble.

 

Know no boundaries,

            In the World granted to us.

Let us belong to our World,

            Let the World belong to us.

Like the sky above and

            The air we breathe in,

Let granted be the World

            For us to work for and to live in.

Many anchors to our identity

Let us have as individuals -

Our family, our community, our religion,

           Our party, our country, Our World.

How attached we feel to each anchor

            And how one anchor competes with another

Determines whether we work together

            Or destroy and fight with each other.

Amongst all our anchors

Let Our World Dominate.

Let every other anchor

            Help the World Citizens communicate.

Let boundaries disappear

            Between countries and families

Let us reach the heaven in our world,

            Know no boundaries.

পরিচয়  পথের

 

 

বাসের দোতলায় জানলার ধারে বসে জন্ পথের ভীড়ের দিকে তাকালো । সারা দিনের কাজের পর এখন নিশ্চিন্ত । আর আধঘন্টা বাদেই বাড়ী – আর মার হাতের চা-জলখাবার । বোন স্যালির জন্যে কেনা বইটার মলাটটা ওল্টালো ।

 

একটা বিরাট ক্যাঁচ করে শব্দ – আর দুরন্ত বাসটা নিস্তব্ধ । নীচে তাকিয়ে দেখলো জন্, কোন ধাক্কা লাগেনি, কেউ আহত হয়নি । আওয়াজ শুনে জন্ বুঝতে পারল ড্রাইভার বাসটা স্টার্ট করার চেষ্টা করছে । একবার, দুবার, অনেকবার চেষ্টা করেও ইঞ্জিন স্টার্ট হোলো না । একটু বাদেই ঘোষণা – ‘এই বাস আর যাবে না । পরের বাস এসে এবাসের যাত্রীদের তুলে নেবে । তবে এখন কোন খালি বাস গুমটিতে নেই ।যাত্রীরা এখান থেকে অন্য যে কোন বাসে উঠে চলে যেতে পারে । আমার কাছে এসে টিকিট ফেরত দিলে পয়সা ফেরত পাবে’ ।

জন্ বাস থেকে নেমে পয়সা ফেরত নেয় আর বাড়ীর দিকে হাঁটা শুরু করে ।  ঘন্টা আড়াই সময় নেবে, তবু অনির্দিষ্টকাল অপেক্ষা করার থেকে ভালো ।

জন্ এখন আর বাসের দোতলায় না, ভীড়ের মধ্যে । কোনো মেয়ের সাথে দেখা হ’লে কথা বলতে বলতে সহজ হোতো চলাটা।

 

 

‘জিম, তুমি ?’ পিছন থেকে কোন মেয়ের গলা ।

‘হ্যাঁ’, জন্ বলতে চাইছিলো, কিন্তু বললো, ‘না, আমি জন্ ; জিম নামে আমার একজন্ বন্ধু আছে, দেখতে আমার মতো নয় ।’

‘জন্’, – মেয়েটি বললো – ‘আমরা কি হাঁটতে হাঁটতে কথা বলতে পারি? কতদূরে যাবে তুমি?’

‘অনেক দূরে, গ্রীন পার্ক ছাড়িয়ে’, জন্ বললো, ‘তোমার নাম বোলবে?’

‘নিশ্চয়’ – মেয়েটি বললো – ‘আমাকে অ্যানি নামে ডেকো ।‘

‘তুমি কি উত্তরদিকে থাকো, অ্যানি ?

‘ঠিক তা না, আমি উত্তরদিকে কলেজ়ে পড়তে যাচ্ছি’

‘আমি উত্তরদিকে থাকি ।  তোমার সম্বন্ধে কিছু বল, অ্যানি সুন্দরী!

‘তোমার কথাও শুনতে চাই, যুবাপুরুষ জন। সুরু করি? আমি এক মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে। আমার বাবা কার্পেন্টার, ঠিকমতো কাজ পাচ্ছেনা । আমার মা কোনদিনই কাজ করেনি, যদিও ইউনিভর্সিটির স্কলার । আমি ওদের প্রথম সন্তান । আমি দিনে কাজ করি আর সন্ধেবেলায় পড়ি ।  এক ভাই ও এক বোনকে দেখতে হয় আমাকে । ভাই ডাক্তারি পড়ছে আর বোন স্কুলে ।  

‘ধন্যবাদ, অ্যানি । তোমার কথা অনেকটা আমারই মতো – মধ্যবিত্ত পরিবার, হয়তো নিম্ন মধ্যবিত্ত থেকে উঁচুর দিকে উঠছি । মাত্র ৬ মাস আগে আমি ইঞ্জীনীয়ারিং পাস করে চাকরি শুরু করেছি । দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে আমি সবচেয়ে ছোট । আমার বড় ভাই এখন চাটার্ড ইঞ্জীনীয়ার, সে আমার ভাই বোনেদের মধ্যে সবার থেকে বড় । বড় বোন উচ্চ-মাধ্যমিক পাস করেছে, দ্বিতীয় বোন অঙ্কে এম্এসসি । তৃতীয় বোন স্কুলের গন্ডি পেরোতে পারেনি, সে গান আর আঁকা শিখছে । আমার বাবা, একজন আকাউন্টাট, রিটায়ার্ড সরকারী চাকুরে ।

‘ধন্যবাদ, জন্ । মনে হয় তোমার ভাইবোনেদের কারুরই এখনও বিয়ে হয়নি । আমি, আমার ভাই আর বোনেরও হয়নি । পড়াশুনা করে চলেছি ভাল চাকরি আর ভাল জীবনসাথী পাবার জন্যে ।

‘আমার বাবা-মাও এই রকমই শিখিয়েছে – পড়ে যাও, খেটে যাও ভাল চাকরি পাবার জন্যে, তারপরে বিয়ে করে ভালবাসা দিয়ে জিতে নাও জীবনসাথীকে ।  

‘তাও তোমাকে তোমার বাবামা আর ভাইবোনেদের জন্যেও যথাসাধ্য করতে হবে, জন্ । তারাও তোমার জন্যে করে ।

‘ঠিকই, যতদিন না ভাইবোনেরা তাদের নিজেদের সংসারের জন্যে বাবামাকে ছেড়ে যায় । 

‘আমি চাই আমার ভাই ডাক্তারি পাস করার পরেও আমাদের সাথে থাকুক । আমি এখন তার ডাক্তারি পড়ার টাকা দিচ্ছি । সময় নেই নিজের ভালবাসার লোক বা ভাল কাজ খোঁজার জন্যে ।

‘তুমি নিশ্চয় আমার প্রশ্নে বিরক্ত হোচ্ছো না, অ্যানি । এটা একটা আলোচনার খেলা মনে কর, অনেকসময় ব্যাক্তিগত খবরও অপরিচিতদের জানাতে হয় ।

‘আমি কিছু মনে করছি না, জন্। কি আসে যায় তুমি যদি আমার সম্বন্ধে বেশী কিছু জান, সম্ভবতঃ কালকের মধ্যেই ভুলে যাবে আমার কথা ।‘

‘তোমার মতো মেয়ের কথা কিছুতেই ভুলবো না । তুমি হয়তো ভুলে যাবে । এইযে তুমি বললে, ভাল সাথী বা ভাল কাজ খোঁজার সময় তোমার নেই । 

‘হ্যাঁ, আমার সংসারকে বাঁচাতে হবে আগে ।

‘অ্যানি, জানো কোনো সমাজে মেয়ে লুট করে বিয়ে করাটাই রীতি । তুমি যদি এই রকম কোন সমাজের মেয়ে হও, তোমার কিছুই করার নেই যদি কোন ছেলে তোমাকে লুট করে নিয়ে বিয়ে করে । তোমার বাবামাও ছেলেটাকে তোমাকে লুট করার সময় বাধা দেবেনা কেননা লুট করে বিয়ে করাটাই সেখানে নিয়ম । 

‘কি ভাল যে আমরা ওই গোষ্ঠীর মধ্যে পড়িনা । 

‘ঠিক, অ্যানি। তোমার বাবা বা ভাই কিছুই করতে পারবেনা যদি তোমরা ওই গোষ্ঠীভুক্ত হও আর কোন ছেলে তোমাকে লুট করে ধরে রাখে ।

‘জন্, আমার একটা সিনেমার কথা মনে পড়লো যেখানে একদল প্রাণোচ্ছল জ়েব্রা খেলছিলো বনে, হঠাৎ এক শিকারী এসে ঐ জন্ম-থেকে-স্বাধীন জ়েব্রাগুলোকে বন্দী করলো ভ্যানের মধ্যে আর চিড়িয়াখানায় নিয়ে গেলো । এই লুটকরা মেয়েদের অবস্থা ওই জ়েব্রাগুলোর থেকে কিছু ভাল কি? 

‘এমনকি অনেক উন্নতসমাজেও, ধনীরা দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের কিনে নেয় । পুলিস বা আইন ব্যাবস্থা তাদের বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারেনা ।

‘বলতে পারো কি হবে, যদি এই বিবাহ ব্যাবস্থা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়?

‘জানিনা । লুট করে বিয়ের ব্যাপারটা আমার বেশ লাগে –আমিও যেন ঠিক ঠিক মেয়েকে লুট করতে পারি । তবে কিছু মাতৃতান্ত্রিক গোষ্ঠীও আছে । সেখানে বৌ বরের থেকে বড় হয় । এক মেয়ে এক শিশুকে তার স্বামী হিসাবে পোষ্য নেয়,  তাকে মার স্নেহ দিয়ে লালন পালন করে বড় করে । যখন শিশুটা বড় হয় তখন মেয়েটা তার ভূমিকা পালটিয়ে মার থেকে বৌ হয় ।     

‘দারুণ, শুনেছি উন্নত দেশেও, অনেক বয়স্কা মেয়েরা অল্পবয়সী ছেলেদের সাথে প্রেম করে, এরকম ‘খেলনা’ ছেলের উপর ‘কাউগার’ মেয়েদের খুব ভরসা।‘

‘অ্যানি’

‘বল, জন্’

‘অ্যানি, আমরা জানিনা আজ কতক্ষণ আমরা কথা চালিয়ে যেতে পারব। আমার তোমাকে এক ঘন্টার জন্যে লুট করে নিয়ে যেতে ইচ্ছে করছে । আমি কি তোমাকে কিছুক্ষণ কফিহাউসে কাটাবার জন্যে আমন্ত্রণ করতে পারি?

‘আমি এখন ইউনিভার্সিটির দিকে চলেছি । তোমার সাথে এক ঘন্টা কাটাতে পারব না । আধঘন্টা বা ৪০ মিনিট হলে চলবে ?

‘নিশ্চয়, আধঘন্টায় আমরা অনেক কথা বলতে পারব । চল এখানে ঢুকি ।

জন্ আর অ্যানি কফিহাউসে ঢোকে । দোতলার জানালার ধারের চেয়ারে গিয়ে বসে । জন্ জানলা দিয়ে বাইরে রাস্তা দেখে । এক ঘন্টা আগেই জন্ দোতলা বাসের জানলার ধারের সীট থেকে শহরটা দেখছিল । মায়ের হাতের জলখাবার খেতে অনেক দেরী হয়ে গেছে ।  

‘তুমি কি খাবে বলো, অ্যানি?’  – জন্ মেনুকার্ডের দিকে তাকাতে তাকাতে বলল অ্যানিকে । জন্ অ্যানির মুখের দিকে – বিশেষ করে চোখের দিকে তাকাল । জন্ এতক্ষন খেয়াল করেনি অ্যানি বেশ সুন্দরী । ও কথাবার্ত্তাতেই ব্যাস্ত ছিল । এখন অবসর এলো যুক্তির আগে আবেগের । অ্যানিও জনের দিকে তাকায় – তার ভাইয়েরই মতো বুদ্ধিমান, তার নানা সমস্যার সমাধান করতে পারবে । কয়েক মিনিটের জন্যে মেশা, তাতেই মনে হয় ওর জীবনের নানা কঠিন প্রশ্নের উত্তর জন্ তার ভাইয়ের থেকেও ভালোভাবে দিতে পারবে ।

‘একটা মিনি-ধোসা আর কফি’,  অ্যানি জনকে উত্তর দিল ।

অ্যানির মুখে ঠিক ওর পছন্দের কথা শুনে জনের চোখ জ্বলে উঠল । ও বললো, – ‘ঠিক পছন্দ, অ্যানি, আমিও তাই নেবো ।  জন্ ক্যাস্‌-কাউন্টারে গিয়ে পয়সা দিয়ে একটা নম্বরি টোকেন নিল । ‘আমরা একটা পয়া নম্বর পেয়েছি – ১৩’, – জন্ বলল ।

‘যতক্ষণ আমরা মিনি-ধোসা খাই টিভিতে টেনিস্‌ খেলা দেখা যাক’, – অ্যানি বললো ।

‘ঠিক, আমিও টেনিস্‌ পছন্দ করি, অ্যান্ডি মারেকে চিনতে পারছি, আর একটা খেলোয়াড় কে? 

‘ফারনান্ডো ভেরদাস্কো – আজ অ্যান্ডি মারের থেকে ভাল খেলছে । 

‘অ্যানি

‘হ্যাঁ, জন্’,  অ্যানি টিভি থেকে তার চোখ জনের দিকে সরিয়ে বলল ।

‘অ্যানি, আমরা দুজনেই টেনিস্‌ আর ধোসা পছন্দ করি । আমি অ্যান্ডিকে আর তুমি ফারনান্ডোকে সাপোর্ট কর ।

‘ঠিক আছে, জন্, তোমার মতামত এখনও অবধি ভালো লেগেছে, যদিও আমরা দ্বিমত হয়েছি প্রায়ই ।

 

ঠিক তখনই ফারনান্দো টাই-ব্রেকারে সেকেন্ড সেট জিতল আর সেট-পয়েন্ট এক-এক হল । মিনি-ধোসা ও কফি টেবিলে দিল আর পয়া নম্বর ১৩ চলে গেল । 

‘আচ্ছা অ্যানি, যদি আমার মতো কোন লোক তোমাকে লুট করতে চায় তবে কি হবে?

‘প্রথমে আমি সেই লোককে গ্রেপ্তার করাব । পরে যদি আমি সেই লোককে বিয়ে করতে রাজী হই তাহলে আমি একটা সর্ত রাখব ।

‘সেই সর্তটা কি, অ্যানি ?

‘আমি এখন যে অবস্থায় আছি তাতে সাহায্য করতে রাজী হতে হবে লোকটাকে।

‘তোমার এখনকার অবস্থা কি ? ‘

‘কাজ ও পড়া দুটোই একসাথে চালান – কাজ এমন রোজগার করার জন্যে যাতে সংসারের সব খরচ মেটান যায়, নিজের ইউনিভার্সিটির টাকা ও ভাই বোনের স্কুলের মাইনে দেওয়া যায় – পড়া যাতে আরও ভাল প্রশিক্ষণ পেয়ে আরও ভাল কাজ পাবার যোগ্যতা বাড়ে । 

‘আর তোমায় যে লুট করল তার জন্যে কী করবে?

‘ধর, তুমি আমাকে লুট করেছ, জন্, তুমি কি আমার নতুন সংসার চালাবার জন্যে যথাযোগ্য টাকা দেবে? তুমি কি লুটেরা গৃহকর্ত্তার ভূমিকা নেভাতে পারবে?

‘আমি জানি আমি কোথায় আটকে আছি, অ্যানি । আমাদের বাড়ীর নিয়ম অনুযায়ী আমার সব ভাইবোনেদের বিয়ে হয়ে গেলেই আমি বিয়ে করতে পারি । আমার বাবা অবসর নিয়েছে, দুই ভাই ও এক বোন এখন রোজগার করছে আর তাদের প্রত্যেকে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সংসার খরচা দেবে ।

‘জন, তুমি যদি সেখানে নাও থাক তাও তোমার পরিবার বেঁচে থাকবে । তোমার বাবা পেনশন পান ও তোমার দুজন ভাইবোন তখনও সংসারের খরচ চালাবে। তুমিতো সবে রোজগার করতে শুরু করেছ ।  

‘ঠিক, অ্যানি । আমার ভাই বোনেরা সবসময়ে আমাকে ভালবেসেছে, দেখাশোনা করেছে । আমার প্রায় সব দরকারের কথা তারা মাথায় রেখেছে যাতে আমি পড়াশুনা করার জন্যে বেশী সময় পাই । আমার মা আমাকে রোজ বাড়িতে রান্না করা লাঞ্চ পাঠাতো । তারা সবাই আশা করে আমি অনেক বেশী টাকা পরিবারের জন্যে আনব । এরা আমার জন্যে এ্যাতো করেছে, এখন আমি চাই এদের সবাইকে সাহায্য করতে ।

‘জন্ । জানি, মা-বাবা-ভাইবোনের উপর অগাধ ভরসা তোমার । কিন্তু এই ভাবেই কি থাকবে চিরদিন? যখন তোমার বড়ভাই আর বোনেদের বিয়ে হয়ে গেলে কি হবে?’

‘অ্যানি, আমরা এখন অনেক নিজেদের কথা বলছি । প্লীজ, এই কথাগুলো যেন আমাদের দুজনের মধ্যেই থাকে ।

‘নিশ্চয়, জন্ । যা কিছু তুমি আমাকে বলেছ তা আর কাউকে বলবোনা ।

‘মিনি-ধোসা বেশ ভাল; না, অ্যানি?

‘হ্যাঁ, জন্। নম্বর ১৩ কারুর কারুর সৌভাগ্যের । দেখ, অ্যান্ডিও ভাল খেলছে’ –

‘অ্যানি, আমাদের পরিবারের বিয়ের নিয়ম অনুযায়ী আমার বোনেদের বিয়ে আগে হবে । অন্ততঃ একজন বোনের বিয়ে হবার পরে আমার দাদা বিয়ে করবে। সবশেষে বিয়ে করব আমি’।

‘তবে এখনই তোমাকে জিগ্যেস করার ঠিক সময় । পারো-তো আমাকে লুটে নিয়ে যাও, পারবে? এখন?’

 

জন্ কিছুক্ষণ কোনো কথা বলতে পারল না । বাক্‌রুদ্ধ হয়ে অ্যানির দিকে থাকিয়ে থাকল – এটাই কি জীবনের চরম জিজ্ঞাসা যার উত্তরে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে এখনি? অ্যানির চোখের দিকে তাকাল জন্, উত্তর কি লেখা আছে  অ্যানির চোখে? হঠাৎ একজন সুদর্শন পুরুষের আবির্ভাব অ্যানির ঠিক পাশে।  

 

অ্যান্ডি ঠিক তখন থার্ড সেটে ফারনান্ডোকে হারিয়েছে । জনের এখন হাততালি দেবার সময়, কিন্তু ওর হাত উঠল না, সেই সুদর্শন পুরুষ যেন আর এক  জিজ্ঞাসা।

 

 ‘তুমি এখানে কি করছ, অ্যানি ? ক্লাসে যেতে হবে না?’  – পুরুষটির প্রশ্ন ।

‘না, ম্যাডিসন, আমার এখনো সময় আছে । আমরা একটা অ্যাসাইনমেন্ট আলোছনা করছি ।‘- অ্যানি বলল।

‘ভাল থেক, অ্যানি, পরে দেখা হবে’ । ম্যাডিসন চলে গেল জনের ব্যাপারে কোন আগ্রহ না দেখিয়ে ।

 

‘এই ম্যাডিসন কে, অ্যানি ? মনে হল তোমার কথা খুব ভাবে’,- জন্ বলল ।

‘ম্যাডিসন আমার বাবার নিকট বন্ধুর ছেলে । ও ভাব দেখায় যেন দাদার মতো, কিন্তু ও যদি একদিন আমাকে বিয়ে করতে চায়, তাতে অবাক হবো না।‘

‘তার মানে এও তোমাকে লুট করতে চায়? একটু আগে যে লুট করার জন্যে ডাকলে; সেই ডাকে কি এখনো সাড়া দিতে পারি? দেবে তোমাকে লুটে নিতে?

‘হ্যাঁ, জন্ । পারো-তো নাও, এখনই’ ।

‘আলবৎ পারি  – জন্ ঝাঁপিয়ে অ্যানির কাঁধ ধরল দুহাতে ।

‘আমি চাই –তোমাকে সারা জীবনের জন্যে লুটে নিতে । কিন্তু আমি তোমাকে ভাবার সময় না দিতে চাই একটু’।

‘কী বলতে চাইছো, জন্?

‘আমরা কি রাতটা একসাথে কাটাতে পারি – দুজনে দুজনকে জানতে পারি আর একটু বেশী?’

‘কেমন করে, কোথায় যাব আমরা, জন্?

‘অ্যানি, আমি তোমাকে এখন আমার বাড়ী নিয়ে যাব না । সেখানে আমি তোমার সাথে বেশী সময় পাবোনা । আমি তোমার বাড়ীতে গিয়েও ভুল-বোঝাবোঝি শুরু করতে চাইনা । চলো আজ সন্ধ্যায় আমরা কোন হোটেলে যাই আর রাতটা একসাথে কাটাই সেখানে’।  

‘এটা বেশ যুক্তিসঙ্গত । কিন্তু আমাকে তাহলে মাকে ফোন করতে হয়, জানাতে হবে যে আমি আজ রাতে ফিরতে পারব না’ ।

‘আমিও বাড়ীতে এখন ফোন করে বলছি আমি আজ রাত কাজের জায়গায় থাকবো’ । 

‘আমি ভাবছি মাকে বলবো যে আমাকে আজ রাতে কাজের জন্য নিউকাস্‌ল যেতে হবে’ –

‘ঠিক আছে, অ্যানি । চল কোন হোটেলে যাই – ধর পার্ক হোটেল, ঘর বুক করি আর আমাদের বাড়ীতে ফোন করি’ ।

‘না, পার্ক হোটেল না, এটা আমাদের বাড়ীর খুব কাছে। কলিন্‌স-অন্-ওকউডে চেষ্টা করা যাক। 

 

একটু পরেই জন্ আর অ্যানি কলিন্‌স-অন্-ওকউডে; একটা ডবল-বেড রুমে রাতের জন্যে ঢুকে, বাড়ীতে ফোন করল ।

‘মা, আমি আজ রাতে নিউকাস্‌ল থাকব । কাল ঘরে ফিরব । শেলীকে বোলো হোমওয়ার্ক করতে । ‘-  অ্যানি ফোনে মাকে বলল ।

‘ঠিক আছে, অ্যানি । আমার জন্যে নিউকাস্‌ল থেকে ক্যুইস এন ।

‘নিশ্চয়, মা, যদি আমার পছন্দ মত ক্যুইস পাই ।

‘এই জ্যাক  – জন্ ফোনে বলে – ‘আজ দুপুরে আমরা নিউস্‌ করপ্স্‌ থেকে জরুরী টেন্ডার ডকুমেন্টস পেয়েছি আর তা কালকের মধ্যে জমা দিতে হবে । তাই বসের অফিসে সারা রাত কাজ করব, এখানেই রাত কাটাব । আশা করি, কাল সন্ধ্যে  নাগাদ্‌ বাড়ী ফিরবো ।

‘ঠিক আছে, জন্’, – জ্যাক উত্তর দিল, ‘ভাল ভাবে থেকো । আশা করি বস্ তোমার জন্যে রাতে কিছু খাবার বন্দোবস্তো করবে । দরকার পড়লে তোমাকে কি কোন ফোনে পাওয়া যাবে ? 

‘না, জ্যাক, পাওয়া যাবে না । সে রকম দরকার হলে আমার মোবাইলে কোরো ।

 

এবার জন্ অ্যানির দিকে ঘোরে । ‘এখন সময় সন্ধ্যে ৭ টা ১৫ । আমাদের দুজনকেই কাল কাজে যেতে হবে । আমাকে সকাল পৌনে-আটটায় হোটেল ছাড়তে হবে যাতে সাড়ে ৮টার মধ্যে কাজে যেতে পারি । তুমি কখন যাবে, অ্যানি? কখন তোমাকে বেরোতে হবে?’  

‘আমাকে সকাল ৯ টায় পৌঁছতে হবে, তাই সকাল ৮ টায় বেরোতে হবে ।

‘তোমার আজ সন্ধ্যের ক্লাস করা হল না, আফশোষ নেইতো?

‘আজ অনেক দেরী হয়ে গেছে ক্লাসের জন্যে। একটা অ্যাসাইন্মেন্টে আমি তোমার সাহায্য নেব ।

‘তাই নাকি, আমি তোমার কাজ করার জন্যে তোমাকে লুটে আনিনি ।

‘আমি জানি, জন্ । কিন্তু আমাকে কাল এটা জমা দিতে হবে  – অ্যানি তার ব্যাগ থেকে বেশ কিছু কাগজ বার করে জনকে দেখাল ।  ‘তুমি তো অঙ্কে ভাল, তাই না?’

‘আমি নিশ্চয় চেষ্টা করব । আমাকে তোমার টেক্সট-বুক দিও ।

‘ঠিক আছে, জন্ । এই হল টেক্সট-বুক আর এই হল কাজের অঙ্কগুলো । আরম্ভ করে দাও, আমি ততক্ষণ স্নান সেরে নেই ।

‘ঠিক আছে, তোমার পরে আমিও স্নান করব । তার মধ্যে দেখা যাক কতটা কি পারি ।

 

অ্যানি স্নান করতে গেল । জন্ অঙ্ক কষতে বসল । জন্ আগে ঠিক এই রকম অঙ্ক করেনি তাও টেক্সট-বুকের উদাহরণ থেকে কিছুটা বুঝে গেল । অ্যানি স্নান সেরে ফেরার আগেই জনের কাজ করা শেষ; ও টিভি খুলেছে । অ্যানি যখন দেখল জন্ কি করেছে আনন্দে লাফ দিয়ে ওকে চুমু খেতে গেলো । 

‘ঠিক, জন্ । এখন স্নান করতে যাও, আমি আমার নিজের হাতের লেখায় কাজটা শেষ করছি ।

 

জন্ একটু পরেই স্নান সেরে ফিরল । এর মধ্যেই রাত ৮ টা ২০ । জন্ বলল, ‘খাবার জন্যে বাইরে গিয়ে কাজ নেই । রুম-সারভিস্‌কে ফোন করে খাবার এখানে এনে নেওয়াই ভাল । আমাদের মন খুলে কিছু কথা বলার সময় পাওয়া যাবে ।

‘হ্যাঁ, জন। এই নাও রুম-সারভিসের মেনু । আমি একটা স্যান্ডুইচ আর দই খাব, তুমি কি নেবে ?

‘অ্যানি, আমি চিকেন বাটার মশালা আর গারলিক নান খাব সঙ্গে ডায়েট কোক, তুমি কি ড্রিঙ্ক নেবে?’     

‘বিটার লেমন’

জন্ রুম-সারভিসকে ফোন করে অর্ডার দেয় ।

  

‘অ্যানি, আমি যদি তোমাকে লুটে এনে আমার ঘরে রাখি, খুশী হবে তুমি?’

‘না, জন্ । আমি যাকে স্বতর্স্ফুতভাবে ভালবাসি তাকেই বিয়ে করবো ।

‘কেন?’

‘নাহোলে বিয়ে অর্থহীন আমার কাছে । আমি জানি অনেকেই বিয়ে বজায় রাখে কেবল সুবিধা নেবার জন্যে- সরকার থেকে, পরিবার থেকে, স্বামী বা স্ত্রীর থেকে । 

‘তুমি বলতে চাইছো, তারা ব্যাভিচারের জন্যে শাস্তি পাচ্ছে না ।

‘না, যতক্ষণ অবধি তারা আইনি ফাঁক কাজে লাগাচ্ছে । এক ব্যাক্তি সাধারণতঃ তার নিজের বা স্বামী-স্ত্রীর ব্যাভিচার লুকিয়ে রাখে ।

‘এর প্রতিকার কী বলো?

‘আইন বদলাতে হবে যাতে একজন বিবাহিত মানুষ একজন একা মানুষের থেকে কোন বেশী সুবিধা না পায়।

‘সাধারণতঃ এই সুবিধাগুলো সন্তানপালনের জন্যে, অ্যানি ।

‘আমাদের সন্তানদের লালনপালন করার একটা পথ খুঁজে বার করতে হবে সরকারকে; আর যারা লালনপালন করবে তাদের মজুরী দেওয়ার বন্দোবস্ত করতে হবে ।

‘জন্, আমরা কি প্রেম বা বিয়ে না করে বসে থাকবো সরকারের নিয়মধারা পালটানোর আশায়?’

‘জানিনা, প্রেমে অভিভূত হোলে হয়তো সবুর সইবে না ।

 

রুম-সারভিস থেকে ডিনার দিয়ে গেছে । খেতে খেতে অ্যানি হোটেলের খরচ ভাগ করার কথা তুলল ।

‘ধন্যবাদ, জন, আমাকে লুট করে এনে একসাথে রাত-কাটানোর জন্যে । কিন্তু আমি অর্ধেক খরচ দিতে চাই।

‘না, অ্যানি । আমি ব্যাপারটা তুলেছিলাম, তাই আমিই খরচ দেব । তোমার সহযোগিতার জন্যে তুমি পাবে আমার ধন্যবাদ ।

‘জন্, আমি হয়ত আর সুযোগ পাবনা তোমার এই উপকার ফেরৎ দেবার, ধন্যবাদ ।

‘একথা মনে রেখোনা, অ্যানি । ***  দেখ অ্যানি । এই জামাকাপড়ই পরে আমাদের কাল কাজে যেতে হবে, তাই এগুলো পরে শোওয়াটা চলবে না ।

‘ঠিক বলেছো, জন্, কিন্তু তুমি ঘরে থাকলে জামাকাপড় ছাড়া ঘোরাঘুরি করবো কী কোরে?’

‘কিন্তু, আমাদের দুজনেরই ঘুমের দরকার, কাল আমাদের কাজে যেতে হবে। তার ওপরে, একই ডবল-বেড খাটে আমাদের দুজনকে আজ রাতে ঘুমোতে হবে। আমি ১০ মিনিটের জন্যে বাইরে যাচ্ছি, এর মধ্যে তুমি তোমার জামাকাপড় ওয়ার্ডোবের হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে দাও, খাটের বাঁদিক দিয়ে ওঠো আর নিজেকে কম্বল দিয়ে পুরো ঢেকে দাও । আমি তখন এসে জামাকাপড় খুলে ডানদিক দিয়ে খাটে উঠব ।  

‘ঠিক আছে, জন। ১০ মিনিটের জন্য বাইরে যাও, তুমি যখন ফিরবে আমি তখন বিছানায় বাঁদিকে শুয়ে থাকব ।

জন্ ফিরে আসার আগেই, অ্যানি নিজেকে পুরো কম্বলে ঢেকে বিছানার বাঁদিকে শুয়ে পড়ল । 

জন্ জামাকাপড় খুলে বিছানার ডানদিক দিয়ে উঠল, জোড়া কম্বলটার নীচে গরমটা আরামের।  

‘অ্যানি?’

‘কি – জন্?

‘তোমার কম্বলটা একটু তুলবে? আমি একটু দেখতে চাই ।

‘কিছু ভেব না, জন, দেখো, ……. দেখা হোলে বোলো, আমি আবার কম্বল চাপা দেবো ।

‘ধন্যবাদ, অ্যানি । আমার মন ভরেছ, চোখ মজেছে, কম্বল দিয়ে ঢেকে নাও, চোখ বুজে ঘুমোবো । ঘুম আসার জন্যে এখন আমি একটু বই পড়ব, তুমি কি কিছু পড়বে?

অ্যানি আর জন্ বই পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়লো ।

…….

পরের দিন সকালে ঘুম ভেঙ্গে জন্ দেখে সে একটা অপরিচিত বিছানায় শুয়ে আছে । বিছানায় অ্যানির জায়গা খালি ; ও বোধহয় এখন স্নান করছে । জন্ বিছানার ধারে তার ঘড়ির দিকে তাকাল – সকাল সাড়ে সাতটা ।  

জনের মনে পড়ল ওর কাছে দাড়ি কামাবার সরঞ্জাম নেই, মুখ ধোবার ব্রাশ ও পেস্ট ও নেই । তার আজ অফিসে যেতে হবে দাড়ি না কামিয়ে, দাঁত না ব্রাশ করে – অ্যানির ও নিশ্চয় একই অসুবিধা হবে । 

অ্যানি শীঘ্রই কলঘর থেকে ফিরে এল । জন্ অবাক হয়ে গেল ওর স্বাভাবিক নরম চাকচিক্যে, ও চোখ সরিয়ে নিতে পারল না ।  

‘ব্রেকফাস্ট করার আগে একটু পরিস্কার হয়ে নিই’,- বোলে জন্ স্নানঘরে ঢুকে গেল । 

 

জন্ আর অ্যানি একসাথে হোটেল ছাড়ার জন্যে নীচে গেল । ঘর ভাড়া দিয়ে তারা তাড়াতাড়ি কিছু খেয়ে নিতে গেল ।

‘তাহলে আমাদের দিন শেষ হয়ে গেল । জন্ অ্যানিকে বলল, এবার আমরা অফিসের দিকে যাব – আবার দুটো আলাদা জায়গায় ফিরে যাব । 

‘হ্যাঁ, জন্ । আমরা যাদের রোজ দেখি তাদের সঙ্গে আবার দেখা হবে, কিন্তু আজকের কথা তাদের কাউকে বোলবো না । আমাদের দুজনের এই দিনটার কথা শুধু মনে রেখে দেবো ।

‘অ্যানি, এই কার্ডটা তোমার কাছে রেখে দাও । তুমি হয়ত আমার সাথে দেখা করতে চাইবে কখনো।

‘আমি জানিনা, জন্, আমি তা চাইব কিনা কোনদিন। আমার সাথে যোগাযোগ করার নম্বর আমি তোমার একটা কার্ডের পিছনে লিখে দিচ্ছি – তোমার জীবনের কোন মনে রাখার মতো ঘটনার সময়ে আমাকে ফোন কোরো – যদি  তোমার কোন কাজে লাগতে পারি ।

 

কেবল একটি সন্ধ্যায়, জন্ আর অ্যানির মধ্যে প্রথম দেখা হয়েছিল গতকাল। কিন্তু এই বিদায়ের আগে মনে হোলো তারা সারা জীবনের পরে বিচ্ছিন্ন হোলো।

জনের চোখে, অ্যানি এমন এক মেয়ে যার সাথে ও ভালবেসে জীবন পুরো কোরতে পারবে – তার মন-ভোলানো রূপের জন্যে নয়, তার জিভ্-জুড়োনো রান্না দিয়ে নয়, ছেলেমেয়ে মানুষ করার প্রতিশ্রুতির জন্য নয়, – কেবল তার জন্য, তার অনুভব আর জীবন-প্রেরণার জন্য ; কেবল ওর যদি সময় থাকে, আর ওর ইচ্ছা থাকে, তবেই ওকে লুটে আনার চেষ্টা কোরবে ।

 

অ্যানিও এ রকম মানুষ চায় না যে শুধু তার সংসারের জন্য রুটির প্রয়োজন মেটাবে; অ্যানির কাছে সেটা কোনো দুঃসাধ্য সমস্যা নয়, তার মনে হোলো জন্ এমন একজন যাকে সে নিঃস্বার্থভাবে ভালবাসবে কেবল জন্ হোয়ে থাকার জন্যে।

 

পরস্পরের কাছে বিদায় নিয়ে অ্যানি আর জন্ হোটেল থেকে বেরিয়ে পড়ে, মিলে যায় জনসমুদ্রে, নিজেদের থেকে আলাদা হয়, এগিয়ে চলে তাদের আলাদা আলাদা অফিসের দিকে, আলাদা আলাদা জীবনের দিকে – অনেক দিনের জন্য, সারা জীবনের জন্য ।

Happy Birthday to Our Daughter

You’re our daughter,
And we just like to say,
You bring us joy,
Each and every day.

 Whenever we think,
Or look at you,
We know we are blessed,
Amongst the lucky few.

 Very special you are,
You think and care,
Your helping hand,
Always ready to share.

You’re pretty determined,
To achieve what’s in your mind,
Thinking of others,
You’re actions are kind.

 Happy Birthday, daughter

Whole world is the birthday cake,

With people you share,

Enjoy, give as much as you take.

AN OVERVIEW OF THE BOOK

It is neither a thesis, nor it is a novel,

Not it is a fantasy, not even a fairy tale.

 

With an event of mass disobedience we start,

No shot is fired, no one is physically hurt.

On a sunny day, at every airport of the world,

People queue up for check-in with no visa in hand.

One and all, in all the classes – economy, first or business,

No one had a visa; world citizenship each like to harness.

 

No international flight takes off

From Wellington, where the day starts;

From other airports of New Zealand too,

          No other plane departs.

 

Nowhere in the world, from any airport,

Took off any International flight.

Following day was no different,

          And the following night.

All airlines give up,

          No end of the tunnel, no ushering light.

 

The main suspect behind these events was John.

 

John’s identity is however very clear;

To all passengers he is very dear.

 

For questioning his role in mass disobedience,

Arrested was John, and served punishing sentence.

He was punished to undergo forensic probes,

For extracting his memoir and his hopes,

To get the events that led him to his roles,

To his visions to cross boundary ropes.

YOU BELONG SOMEWHERE ELSE

 

Days after days, spent dimes after dimes;

Toiled hard; roamed many continents – many times.

Visited long – long ranges of mountains;

Wandered on the sandy beaches of oceans.

 

Yet you escaped my vision, bewitched my browse;

Never could hold and raise the tip of your blouse.

To discover the two beautiful mesmerizing globes

And feel the apex on their two sweet sultana poles.’

 

‘I know it very well that you belong somewhere else, not to me, to us.

You believe as well I don’t belong to you, but to an omnibus – fictitious.

Yet there’s something in me that matches something in yours – ours -

In our dreams, behaviours, endeavours – in our meaningless demeanours.

 

You dream – you have wings to fly, disappear in the sky,

Get airborne to the home of your dreams, far-away, near-by.

I dream while I walk on the field, through the forests,

By the river to the sea.

You dream of heavens; I daydream on the earth;

I love the earth I want to see.

 

We’re living to our dreams, though far from each other.

Don’t know if we would love our dreams, if we remain together.

With the citizen of the world, our dreams, let us share.

The heaven, hell and earth; let the boundaries disappear.

WOULD YOU PLEASE READ MY BOOK?

 

Would you please read my book when published? Will it sell?

I’ve burnt my heart in my book on ‘One World, One Family’, I have lots to tell.

It is neither a thesis, nor it is a novel,

Not it is a fantasy, not even a fairy tale.

 

With an event of mass disobedience we start,

No shot is fired, no one is physically hurt.

On a sunny day, at every airport of the world,

People queue up for check-in with no visa in hand.

One and all, in all the classes – economy, first or business,

No one had a visa; world citizenship each like to harness.

 

No international flight takes off

From Wellington, where the day starts;

From other airports of New Zealand too,

          No other plane departs.

Australia soon follows suit,

          Then Philippines, Singapore, Malaysia, Thailand,

Bangladesh, India, Nepal, Pakistan,

          Sri Lanka, Arab, Europe, Russia and England.

 

Nowhere in the world, from any airport,

Took off any International flight.

Following day was no different,

          And the following night.

All airlines give up,

          No end of the tunnel, no ushering light.

 

Leaders of the world meet in Skype;

Never have they encountered a hype of this type.

All arrested passengers faced interrogation,

To identify the culprit behind this intelligent bloodless revolution.

Two names heard many times – John and Norton.

But who is Norton? There are many Norton and Norton.

Every country, every state, every city and every village has at least one Norton.

 

John’s identity is however very clear;

To all passengers he is very dear,

One and only John George – no other.

 

For questioning on his role in mass disobedience,

Arrested was John, and served punishing sentence.

He was punished to undergo forensic probes,

For extracting his memoir and his hopes,

To get the events that led him to his roles,

To his visions to cross boundary ropes.

 

Poor John was born to believe in discipline and rules.

He strived to survive like all other working mules.

His parents taught him to follow the rules to achieve his targets.

‘Stick to the Truth’, ‘Study intensively’, ‘Work diligently’ – he never forgets.

‘Work hard to secure good jobs – money earner’,

‘Get married and establish trust with your partner’,

‘Use your charms to win love, bread and butter’

And ‘thus live on, live happily ever after’

 

John gets the engineering degree with honours;

He works in a factory in Moon Town during shift hours.

This is the time he is married to get Deanna as his wife,

With a dream of setting up home and a new life.

But with her parents Deanna stayed back, for studying Master of Arts,

John couldn’t discourage studies; though his dreams were shattered.

 

What his newly married wife Deanna was doing at her parents’ place,

                                      John was hardly aware,

Till John’s father was hospitalised at Moon Town

For a procedure on his gall bladder.

 

To see her sick father-in-law

Deanna came apparently with good intention;

But she was busy writing to someone

                   Neither John nor his parents received any attention.

She told John privately point blank

                   That John shouldn’t touch her; she would never cooperate;

She cannot tolerate John; no love for him;

                   To someone else herself she would dedicate.

Yet she would continue as the legal wife

                   In the eyes of John’s parents and hers;

She knew that divorce is difficult for John;

                   So it’s easy to exploit his purse.

 

So long John took it for granted

                   That that husband and the wife love unconditionally,

As per the vows, oaths taken in the marriage,

                   They are always deeply attached emotionally.

 

John found that his belief in marriage was false totally;

Deanna would never open her mind; so never could he.

 

This was the time John thought of marriage-less societies;

Because most married people face similar adversities.

 

Only one in thousand marriages,

          Spouses love each other and no one else

John’s case was extreme – Deanna had no love for him,

          She had already found pleasure with her boyfriends.

 

This was the time distraught, desperate John thought

He would move to another country and start from a naught.

He felt the need to cross boundaries

To reach new and new countries,

          Where Deanna’s past won’t haunt her and him.

He felt the urge to become available to many,

More people across his legal family boundary,

          So that shadows of a few people won’t make him dim.

 

Deanna and her parents discouraged John in his mission;

John thought this will help; in a new land he would start alone.

 

Observing John’s determination, Deanna and her parents gave in.

John thought in a new land Deanna had to follow discipline

She would be alone with him and hence co-operating.

 

The rest of the story, from the book, you are to explore;

Forensic probes into John’s memoirs would surely yield more.

 

The book won’t tell you which country John was from;

Perhaps that does not matter – he is one of Harry, Dick or Tom.

 

Would you please read my book when published? Will it sell?

Are these stories known to you? Does this ring any bell?

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.